সেই দলছুট নেতারা এখন

news portal website developers

ডেস্ক রিপোর্ট: আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি কাজী সিরাজুল ইসলাম। ২০০৫ সালের ৪ জুন তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। তখন ছিল আওয়ামী লীগের চরম দুঃসময়। ওই সময় তিনি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, সারা দেশে ৩০০ আসনে জয়নাল হাজারীর মতো গডফাদার চান শেখ হাসিনা। এ নিয়ে তখনকার রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তাপ সৃষ্টি হয়। ২০০৮ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে ফরিদপুর-১ আসনে ‘কলস’ প্রতীকে ‘স্বতন্ত্র’ নির্বাচন করেন কাজী সিরাজ। তার দেওয়া মামলায় কয়েক হাজার তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আসামি হন। তিনি এখন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। সেই কাজী সিরাজুল ইসলাম এখন আবারও ফরিদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

একই অবস্থা ওই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শাহ্ মো. আবু জাফরের। তিনিও এক সময় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ছিলেন। আওয়ামী লীগের টিকিট নিয়ে তিনি ফরিদপুর-১ আসনে এমপি নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও বাকশাল, জাতীয় পার্টি ও নাজিউর রহমানের জাতীয় পার্টি করে শেষ পর্যন্ত এখন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। শাহ্ মো. আবু জাফরের মতো ফরিদপুর-৪ আসনের এক সময়ের জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়ার রুমি বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। বিএনপি ছেড়ে তিনি এখন ওই আসনের স্বতন্ত্র এমপি নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে কাজ করছেন। শুধু এই তিন নেতাই নন, তাদের মতো আরও অন্তত শতাধিক তারকা নেতা আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপি, আবার বিএনপি থেকে ফের আওয়ামী লীগ কিংবা জাতীয় পার্টির রাজনীতি করছেন। কেউ কেউ জাতীয় পার্টি থেকে আবার আওয়ামী লীগ কিংবা বিএনপির রাজনীতিও করছেন। অন্য রাজনীতি করার নজিরও রয়েছে। তারা আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানাভাবে সক্রিয় হচ্ছেন। দলছুট নেতাদের অনেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় হলেও যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন এক সময় আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। নিজ দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে গণফোরাম গঠন করেন। তার সঙ্গে এসে যোগ দেন যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা মহসীন মন্টু। তারা দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে আসলেও সাড়া মিলছে না।

মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তি কাদের সিদ্দিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনককে হত্যা করা হলে অস্ত্র হাতে যুদ্ধে যান বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। গড়ে তোলেন কাদেরিয়া বাহিনী। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তিনি দীর্ঘ সময় দেশান্তরী ছিলেন। পরে দেশে ফিরে আসেন। দলের সঙ্গে মতের ভিন্নতায় তিনি বেরিয়ে গিয়ে গঠন করেন কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ। আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে রাজনীতির মাঠে বড় কোনো সম্ভাবনার ক্ষেত্র উন্মোচন করতে পারেননি তিনি।

এক সময়ের ছাত্র ইউনিয়নের কিংবদন্তি নেত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী ন্যাপ হয়ে আওয়ামী লীগে আসেন। দীর্ঘদিন তিনি আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়াম সদস্য। সরকারের কৃষিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) থেকে বেরিয়ে নুরুল ইসলাম নাহিদ, আবদুল মান্নান আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করছেন। তারা দুজনই আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য। নুরুল ইসলাম নাহিদ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী। আর আবদুল মান্নান সাবেক প্রতিমন্ত্রী।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা, খ্যাতিমান চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নিজে দল ছাড়েননি কিন্তু তাকে বিএনপি ছাড়া করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদে তাকে ইমপিচমেন্ট করা হয়। তিনি এবং তার ছেলে তরুণ বিএনপি নেতা দলছুট হয়ে গড়েন বিকল্পধারা বাংলাদেশ। এখন যুক্তফ্রন্ট নামে নতুন এক জোটও করেছেন। অনেক চেষ্টা করেও রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে পারেননি।

এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের অন্যতম। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রভাবশালী মন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

ছাত্রলীগের এক সময়ের সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবও ছিলেন। ওয়ান ইলেভেনে তিনি দলছুট হয়ে পিডিপি নামে কিংস পার্টি গঠন করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ছিলেন বিএনপি সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী। বিএনপি ছেড়ে এখন তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল এলায়েন্স (বিএনএ) নামে নতুন দলের দায়িত্বে রয়েছেন।

এ ছাড়াও বিএনপির বর্তমান স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এক সময় বঙ্গবন্ধুর সাহচর্যে ছিলেন। পরে জাতীয় পার্টি থেকে উপ-প্রধানমন্ত্রীও নিযুক্ত হন। এখন তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা।

ছাত্রলীগের এক সময়ের ডাকসাইটের নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও এখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।
অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া একাধিকবার জাতীয় পার্টির মনোনয়নে গাইবান্ধা থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালের আগে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এরপর আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি এমপি নির্বাচিত হন। বর্তমানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।

নব্বই পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির মহাসচিব হয়েছিলেন এককালের বাম নেতা খালেদুর রহমান টিটো। এরশাদ সরকারের সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী পরবর্তীতে বিএনপিতে যান। যশোরের একটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে যোগ দেন আওয়ামী লীগে। যশোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে এমপি হন। সর্বশেষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি। রাজনীতিতে এখন তিনি নিষ্ক্রিয় প্রায়। তবে আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।

১৯৯১ সালে চট্টগ্রাম-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে এমপি হয়েছিলেন সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী। পরবর্তীতে চলে যান বিএনপিতে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছিলেন। নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী বিএনপি ছেড়ে পরবর্তীতে নতুন দল গঠন করেন। তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এখন তিনি। তার দলটি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরিক। সর্বশেষ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ওই আসনে এমপি হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করে উপ-প্রধানমন্ত্রী হন।

ছাত্রলীগের এক সময়ের তুখোড় নেতা শাহ্ মোয়াজ্জেম এখন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মুন্সীগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচন করে হেরে যান।

এরশাদ আমলে উপজেলা নির্বাচন করে হেরে গিয়েছিলেন অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির আমলে একতরফা নির্বাচনে এমপি, এমনকি দেশের মন্ত্রী পর্যন্ত হন। এক সময়ের জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নিতাই রায় চৌধুরী এখন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালে মাগুরা-১ আসনে নির্বাচন করেছিলেন। এখন আবারও ওই আসন থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

১৯৯০-এ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের অগ্রনায়ক ছিলেন হাবিবুর রহমান হাবিব। ছাত্রলীগের এক সময়ের এই সভাপতি ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ছেড়ে যোগ দেন বিএনপিতে। বিএনপি চেয়ারপারসনের স্নেহধন্য হলেও ২০০১ ও ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পাননি। ২০০১ সালে পাবনা-৪ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই হাবিবুর রহমান এখনো ওই আসনে লড়তে প্রস্তুত।

ছাত্রলীগ ছেড়ে জাসদে গিয়েছিলেন ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না। তারপর বাসদ, জনতা মুক্তি পার্টি হয়ে ফিরে আসেন আওয়ামী লীগে। বগুড়া-২ আসনে একাধিকবার নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেও জিততে পারেননি তিনি। ২০০৭ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে আওয়ামী লীগে অপাঙক্তেয় হয়ে পড়েন মান্না। অভিমানে দল থেকে বেরিয়ে এসে গঠন করেন নাগরিক ঐক্য।

১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-৩ আসনে জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন রুস্তম আলী ফরাজী। ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টি ছেড়ে যোগ দেন বিএনপিতে। মনোনয়ন পেয়ে এমপিও হন। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় বিএনপির সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও বিরোধের জেরে রুস্তম আলী ফরাজী দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েন। দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। তবে জিততে পারেননি। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও রুস্তম আলী ফরাজী থেমে থাকেননি। পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. আনোয়ার হোসেনকে পরাজিত করেন। ২০১৭ সালের শেষ দিকে বিএনপি ছেড়ে আবারও জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়েছেন ফরাজী। এবার তিনি জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন চাইবেন।

১৯৯১ সালে পিরোজপুর-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন বজলুল হক হারুন (বিএইচ হারুন)। ওই নির্বাচনে জামানত হারিয়েছিলেন তিনি। পরে ’৯৬ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হন।

২০০১ সালে ঝালকাঠি-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিট পান বিএইচ হারুন। কিন্তু জিততে পারেননি। পরে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আবারও নৌকার প্রার্থী হয়ে একই আসন থেকে এমপি হন। এবারও তিনি ওই আসন থেকে মনোনয়ন চান।

কুমিল্লা-৪ আসনে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের এমপি হয়েছিলেন এবিএম গোলাম মোস্তফা। এক সময় তিনি জাতীয় পার্টি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তীতে নাজিউর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। সর্বশেষ আবারও জাতীয় পার্টির মূল দলে ফিরে আসেন। এবারও তিনি ওই আসন থেকে জাতীয় পার্টির টিকিট চান।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন আবদুল মান্নান। এক সময় তিনি কালীগঞ্জ পৌরসভা বিএনপির সমর্থন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেলেও আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য কাজ করছেন।

জাতীয় পার্টির চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী ’৭৯ সালের সংসদে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে এমপি হন। এরশাদ শাসনামলে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করে এমপি, মন্ত্রী হন। পরে ২০০৭ সালের যে নির্বাচন বাতিল হয় সেই নির্বাচনে আবার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালে আবার জাতীয় পার্টির টিকিটে এমপি হয়েছেন। আগামী নির্বাচনেও তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থী।

বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন বিএনপিতে যোগ দিয়ে বরিশাল-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হন। পরে দলের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদ পান। ২০০৭ সালে সংস্কারপন্থিদের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ২০০৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি। সম্প্রতি আবার তাকে বিএনপিতে নেওয়া হয়েছে। ছাত্র ইউনিয়নের এককালের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এখন বিএনপিতে। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডাকসুর সাবেক জিএস ও ডাকসাইটে বাম নেতা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে অল্প বয়সেই উপমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী হন। এখন তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি। ছাত্রদলের প্রায় প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি গোলাম সরওয়ার মিলন এরশাদ শাসনামলে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে এমপি, উপমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি (নাজিউর) এবং সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় পিডিপিতে যোগ দেন। এখন রাজনীতিতে আগের মতো আর সক্রিয় নন। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

loading...