এই চারজনকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছেন মেসি

4 playerস্পোর্টস ডেস্ক: এখনো মৌসুমের দীর্ঘ পথ বাকি। বদলে যেতে পারে অনেক কিছু। তবে এখন পর্যন্ত ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে লিওনেল মেসিই ফেবারিট। এবারও কি তবে নতুন কোনো নাম দেখা যাবে না? ৫-৩ ব্যবধানটা ৫-৫ করে ফেলা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কি আবার পেরিয়ে যাবেন মেসি?

গত ১০ বছর ধরে এই দুজনের মধ্যে হাতবদল হওয়া ব্যক্তিগত সেরা এই ট্রফিটা এবার অন্য কারও হাতে উঠতেই পারে। ২০১৮ বিশ্বকাপের বছর। বিশ্বকাপ হয়ে উঠবে অনেক বড় প্রভাবক। চ্যাম্পিয়নস লিগও একটা বড় প্রভাব ফেলবে এবারের বিজয়ী নির্ধারণে।

ফলে এখনই মেসিকে নিরঙ্কুশ ফেবারিট বলার সুযোগ নেই। খোদ মেসি মনে করেন, এবার তাঁর সঙ্গে অন্তত চারজনের বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। সাধারণত এসব নিয়ে এত আগে কথা বলাটা তিনি পছন্দ করেন না। তবে ওয়ার্ল্ড সকার সাময়িকীকে মেসি বলেছেন, ‘এখন বেশ কজন দুর্দান্ত খেলোয়াড় আছে, যারা এই পুরস্কারটা জিততে পারে। একটা সময় ছিল যখন কেবল আমরা দুজন জিতেছি। কিন্তু এবার নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে আর লুইস সুয়ারেজও লড়াই করবে।’

এবার ধারাটা ভাঙলে নেইমারই ভাঙতে পারবেন। পিএসজির হয়ে এর মধ্যে ২৭ ম্যাচে তাঁর গোল ২৮টি। ফ্রান্সের ক্লাবটিকে যদি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিও জেতাতে পারেন, ভালো সুযোগ আছে নেইমারের। তা ছাড়া রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিল খেলবে সবচেয়ে বড় ফেবারিট হিসেবে।

নেইমারের হাতে যে এই ট্রফিটা উঠবেই, তাতে অনেকের সন্দেহ নেই। সেটা এবারই, নাকি পরের বার, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ব্রাজিলিয়ানদের মধ্যে ব্যালন ডি’অর নিয়ে ভীষণ আগ্রহ রয়েছে। নেইমারের বার্সেলোনা ছাড়ার পেছনে বড় প্রভাবক ছিল এই ট্রফি নিয়ে তাঁর আগ্রহ।

কাকা সর্বশেষ ব্রাজিল তারকা হিসেবে এই পুরস্কার জিতেছেন। তাঁর আগে রোনালদো, রোনালদিনহো, রিভালদোরাও জিতেছেন এই ট্রফি। ব্রাজিলের খেলোয়াড়েরা মোট ৫ বার জিতেছেন ব্যালন ডি’অর। মেসি নিজে যেখানে একাই আর্জেন্টিনার নাম উচ্চারণ করিয়েছেন ৫ বার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ১৯৯৫ সালের আগে অ-ইউরোপীয় খেলোয়াড়দের এই ট্রফি দেওয়া হতো না বলে পেলে-রোমারিওরা জিততে পারেননি। পেলে একাই সাতবার এটি জিততে পারতেন বলে খোদ আয়োজকেরাই স্বীকার করেছেন। অবশ্য ম্যারাডোনাও অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জিততেন।

পেলে জিতলেও জিততে পারতেন—সেই সংখ্যাটা বাস্তবে রূপ দিতে পারেন মেসি নয়তো রোনালদো। আর দুবার জিততে হবে তাঁদের। মেসি সংখ্যাটা ৬ এবারই করে দিতে পারেন। কিন্তু রোনালদোর চেয়ে আপাতত বন্ধু নেইমারকেই মনে হচ্ছে তাঁর বড় বাধা।