যশোর-৫ আসনে বিএনপি থেকে লড়তে চান সাবেক ছাত্রনেতা ইফতেখার সেলিম অগ্নি

ogniস্টাফ রিপোর্টার: একাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মাঠের রাজনীতিতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। অন্য রাজনৈতিক দলের মতো পিছিয়ে নেই বিএনপিও। বিশেষ করে সাবেক ছাত্রনেতারা বেশি সময় দিচ্ছেন মাঠে। দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে যেন নজরে থাকতে পারে সেজন্য আগেভাবেই এই চেষ্টা।

নিয়ম করে এলাকায় যাওয়া, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন আগ্রহীরা। জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রায় শতাধিক সাবেক ছাত্রদল নেতা।

অন্যদের মতো নির্বাচনী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন ভাষাসৈনিক মরহুম নুরুল হকের কনিষ্ঠ্য পুত্র সাবেক ছাত্রনেতা ইফতেখার সেলিম অগ্নি। যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে একাদশ নির্বাচনে লড়তে চান সাবেক এই ছাত্রনেতা। সেজন্য ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি।

ogniদীর্ঘ ৩০ বৎসরের রাজনৈতিক জীবনে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালনা কালীন সময়ে বহু মামলায় জড়িয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। ১৯৯৬ সালে যশোরের আলোচিত কমরেড আইয়ুব হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারা বরন করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।
১৯৮৮ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল যশোর এম.এম. কলেজ শাখার প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৯০ সালে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে। এসময় সর্বোদলীয় ছাত্র ঐক্যের হয়ে এরশাদ বিরোধী অভ্যূথানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।
১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত যশোর জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন এবং জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করে তিনি।
১৯৯৯ সালে জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মনোনিত হন।
সর্বশেষ জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। যার নেতৃত্বে ছিলেন হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মীর শরাফত আলী সপু, শফিউল বারী বাবু।
১৯৯১ সাল থেকে জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচনে নিজ থানা মনিরামপুর এবং যশোর জেলার দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখেন তিনি।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী জানতে চাইলে ইফতেখার সেলিম অগ্নি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই দলের সর্বস্থরের নেতাকর্মীদের ও জনসাধারণের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছি। মইন-ফখরুদ্দিন সরকারের সময় ছিন্ন ভিন্ন করা মনিরামপুরের সংসদীয় আসন রক্ষার লক্ষে সকল মিছিল মিটিং এর নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে ছিলাম এবং সফলতার সাথে পূর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। আশাকরি দল সঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন।

মনোনয়ন না পেলে কি করবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলের একজন কর্মী হিসাবে দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও জননেতা জনাব তারেক রহমানের যে কোন সিদ্ধান্ত মেনে নিতে প্রস্তুত। দল যার হাতে ধানের শীষ তুলে দেবে তার জন্যই সর্বাত্মক কাজ করে যাবো।