ঔষধ সংকটে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল

স্টাফ রিপোর্টার :যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে গত পাঁঁচ মাসে স্বাস্হ্য’ অধিদপ্তরে ঠিকাদার অনুমোদন না পাওয়ায় অষুধ সংকট দেখা দিয়েছে ৷ হাসপাতালে সার্জারী বিভাগের সিনিয়র ষ্টাফ নার্স রহিমা খাতুন জানান, গত দুই মাস ধরে পর্যাপ্ত অষুধ সাপ্লাই না থাকায় রুগীদের কে পর্যাপ্ত অষুধ দেওয়া যাচ্ছেনা।
শিশু ওয়ার্ডের সিনিয়র ষ্টাফ নার্স আসমা বিশ্বাস বলেন অষুধ না থাকায় রুগী দের কে সরকারী অষুধ দিতে না পারার কারনে তাদেও বাইরে থেকে অষুধ ক্রয় করতে হচ্ছে৷ এছাড়াও হাসপাতালের প্রত্যেক ওয়ার্ডে সেবিকারা বলেন রহম, ing, ceftrexon 1gram, 2gram, ing.omep 20mg, ing, cipro 500mg, ing,metro 500mg, ing saline, sering 5cc, sering 10cc,   পর্যাপ্ত সাপ্লাই নাই।  রুগী হানজালার স্বজন হাফিজুর রহমান জানান, হানজালা গত ৪মে হাসপাতালের মামস রুগী হিসাবে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি হয় কিন্তু ঐ মুহুর্তে তাদের অষুধ ক্রয় ক্ষমতা ছিলোনা। সরকারী অষুধ সাপ্লাই না থাকার কারনে রুগী হানজালার চিকিৎসায় মহা বিপাকে পড়তে  হয়েছে তাদের৷
ভূক্তভূগী নূরজাহান (৩০)। শহরের কাজীপাড়া এলাকার মিন্টুর স্ত্রী, রুগী নূর জাহানের পিতা নূর আলী জানান, নূর জাহানকে ডেলিভারি রুগী হিসাবে গত ২/৫/১৭ ইং তারিখে হাসপাতালে ভর্তি করি এবং সিজারিয়ানের মাধ্যমে নূরজাহানের ডেলিভারি করানো হয় সরকারি ঔষধ না পাওয়ার কারনে বাহির থেকে প্রায় ৭০০০টাকার ঔষধ ক্রয় করে নূরজাহানকে হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়৷ হাসপাতালের ষ্টোর কিপার আফজাল হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান টেন্ডার সংক্রান্ত জটিলতার কারনে ঔষধ সংকটের কথা৷
এব্যাপারে হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার কামরুল ইসলাম বেনুর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,গত ডিসম্বর মাসে টেন্ডার  করা হয় আজ অবধী স্বাস্থ অধিতপ্তর থেকে অনুমদন না পাওয়ার কারণে সমম্ভাব হয়নি৷ তিনি আরো জানান ,ইডিসির থেকে ৭০শতাংশ ঔষুধ পেয়ে পর্যাপ্ত ঔষুধ সাপ্লাই আছে৷